আপনার শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়বে দ্বিগুণ হারে! শুধুমাত্র ব্যবহার করুন এই ৭টি দুর্দান্ত ট্রিকস!

নিজস্ব প্রতিবেদন:- যেকোনো বাড়িতেই শিশু জন্মের পরে বাবা মায়েরা কিন্তু নানান ধরনের চিন্তায় ভুগে থাকেন। এর মধ্যে যে সব থেকে বড় চিন্তাটি বাবা-মাকে তাড়া করে বেড়ায় সেটা হল শিশুদের মেধাবী করার চিন্তা বা তাদের স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর চিন্তা। সময় মতো যদি বাচ্চাদের বুদ্ধিমান বা মেধাবী না করে তোলা যায় সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে তাদের অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে।

এমনকি মেধার অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই কিন্তু বাচ্চারা হীন্যমনত্যায় ভুগে থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই কিন্তু দেখা যায় স্মৃতিশক্তির অভাবে বাচ্চারা ভালো করে পড়া মনে রাখতে পারে না। যার ফলে তাদের মেধার ঘাটতি দেখা যায়। তবে সব ক্ষেত্রে কিন্তু শিশুর স্মৃতিশক্তি সমান থাকে না, তাই এই সমস্যা হওয়াটা স্বাভাবিক। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা তাই আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করে নিতে চলেছি শিশুর স্মৃতিশক্তি প্রখর করার কৌশল।

১) সর্বদা আপনার শিশুকে কিন্তু প্রশ্ন করতে শেখাতে হবে যাতে তার মধ্যে যে কোন কিছুকে জানার জন্য আগ্রহ তৈরি হয়। শিশু যত বেশি প্রশ্ন করবে ততটাই কিন্তু গভীরভাবে যে কোন জিনিস জানতে আর বুঝতে শিখবে। এতে শিশুর স্মৃতিশক্তি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

২) শিশু যে সমস্ত জিনিস শিখছে সেগুলো থেকেই তাকে ছড়া গান প্রভৃতি তৈরি করতে শেখান। মানুষের মস্তিষ্ক কিন্তু মিউজিক প্যাটার্ন ভালোভাবে মনে রাখতে পারে। এই পদ্ধতিও আপনাদের স্মৃতিশক্তিকে প্রখর রাখতে সাহায্য করবে।

৩) শিশুর স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে তাকে নিয়মিত লাইব্রেরি আর মিউজিয়ামে নিয়ে যান এবং নিত্য নতুন জিনিস শেখাতে থাকুন। তাকে কখনোই কিন্তু এক জায়গায় বসিয়ে পড়াবেন না। নিয়মিত তাকে বই পড়তে এবং বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে সবকিছু এক্সপ্লোর করতে শেখান।

৪) প্রয়োজনীয় সকল বিষয় নিয়ে কিন্তু আপনাকে আপনার শিশুর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে যাতে সে বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের বুদ্ধিমত্তা আর মতামত সহজেই প্রকাশ করতে পারে। এতে তাদের চিন্তাধারার উন্নতি হওয়ার পাশাপাশি কিন্তু স্মৃতিশক্তি অনেকটাই বৃদ্ধি হবে। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এই পদ্ধতি আপনার শিশুকে মেধাবী করতেও সাহায্য করবে।

৫) শিশুদের আপনারা যখনই কিছু শেখাবেন অবশ্যই ছবি ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। যে কোন জিনিস ছবি দেখিয়ে বোঝালে কিন্তু শিশুরা বেশ ভালোভাবে সেটা মনে রাখতে পারে। সুতরাং এবার থেকে কিন্তু এই পদ্ধতি ট্রাই করতে ভুলবেন না।

৬) পরিবারের সকল সদস্যদের কাছ থেকেই কিন্তু শিশুর কিছু না কিছু শেখার বিষয় থাকে। তারা যাই শিখুক না কেন সর্বদা তার থেকে সে সমস্ত বিষয়ে প্রশ্ন করুন এবং জানতে চান যে সে কি শিখেছে! তাহলে তার মধ্যে যে কোন জিনিসকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা প্রকাশিত হবে।

৭) নিয়মিত শিশুকে শরীর চর্চা আর যোগ ব্যায়ামে অংশগ্রহণ করাতে পারেন। শরীর চর্চা করলে কিন্তু মানুষের মন আর শরীর দুটোই ভালো থাকে তাই অবশ্যই এই বিষয়ে আপনারা বাবা-মা হিসেবে নজর রাখবেন।

Back to top button