কি কি লক্ষণ দেখে বুঝবেন কারোর Bone Cancer হয়েছে কিনা? জানুন ডাক্তারবাবুর মুখ থেকে! রইল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- এই পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে ক্যান্সার এর মতন রোগের সংখ্যা। তার পাশাপাশি এই রোগ পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তরে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে। আগেকার তুলনায় এখনকার যুগে ক্যা-ন্সার রো-গীর সংখ্যা বাড়ার প্রবণতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও এর পিছনে রয়েছে অনেকগু-লি কারণ। কিন্তু সবকিছু জানার আগে আপনাকে জানতে হবে বা স্বচ্ছ ধারণা রাখতে হবে যে আসলে ক্যান্সার কি?

ক্যান্সার হল এমন এক ধরনের রোগ যেখানে আমাদের শরীরের ভেতরের কোষগুলি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বর্ধিত হতে থাকে এবং সেটা গোটা শরীরের মধ্যে যখন ছড়িয়ে পড়ে তখন তাকে আমরা ক্যা-ন্সার পরি। বলতে পারেন কোষের মধ্যে যদি কোন কারণে ক্ষ-ত বা ঘা সৃষ্টি হয় তখন সেটাকে ক্যা-ন্সার বলা হয়। এবার আমাদেরকে জানতে হবে যে ক্যা-ন্সার এর কারণ কি? কি কি রিস্ক ফ্যাক্টর রয়েছে ক্যা-ন্সারের পেছনে। ডাক্তারদের ভাষায় বলতে গেলে এমনটাই বলতে হবে যে এর দুইটি ভাগ রয়েছে।

একটি হলো পরিবর্তনযোগ্য এবং অন্যটি হলো অপরিবর্তনযোগ্য। প্রথমে আমরা আলোচনা করবো পরিবর্তনযোগ্য লক্ষণগু-লি নিয়ে। বা কারণগু-লি নিয়ে পরিবর্তনযোগ্য। কারণ গু-লির মধ্যে অন্যতম একটি প্রধান কারণ হচ্ছে বয়স। বয়স কখনোই আমরা হাতের মুঠোতে ধরে রাখতে পারিনা। প্রতিনিয়ত ঝুঁ-কি বাড়তে থাকে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই ক্যান্সারের প্রবণতা কিন্তু বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে অপরিবর্তনযোগ্য একটি কারণ হচ্ছে যে জিনগত সমস্যা।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পরিবারের কারোর ক্যান্সার ছিল কোন কাল আগে। জিনগত প্রবাহ এর কারণে সেই ক্যা-ন্সারের প্রবণতা বছরের পর বছর ধরে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম পরিবর্তিত হতে থাকে। অপরদিকে পরিবর্তনযোগ্য যে সমস্ত কারণ গু-লি রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ধূ-মপান ও তা-মাক জাতীয় দ্রব্য সেবন করা। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই রয়েছেন যারা প্রতিনিয়ত ধূ-মপান করেন বা গু-টকা জাতীয় খাবার খান।

এতে মুখের ভেতরে গলাতে এবং খাদ্য নালীতে ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা থাকে। এর পাশাপাশি যারা অ্যালকোহল বা ম-দ্যপান করে প্রতিনিয়ত তাদের পাকস্থলী গলা খাদ্যনালীতে এমনকি ব্রেস্ট ক্যা-ন্সার হতে পারে। তবে শাকসবজি-ফলমূল অতিরিক্ত মাত্রায় খাওয়া গেলে এদের প্রবনতায় অনেকখানি কমে আসে। এছাড়া ভা-ইরাস ও ক্যা-ন্সার এর লক্ষণ হতে পারে। যেমন হে-পাটা-ইটিস-বি ক্যা-ন্সার সৃষ্টি করার অন্যতম প্রধান ভাইরাস যদিও বিজ্ঞানীদের নিরন্তন গবেষণার ফলে চিকিৎসাশাস্ত্র অনেক উন্নতি ঘটেছে এবং হয়তো আগামী দিনে ক্যান্সারকে সারিয়ে তোলার ওষুধ আবিষ্কৃত হবে এমনটা আশা রেখে যেতে পারে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button