একদম সামান্য পুঁজিতে শুরু করুন এই দুর্দান্ত ব্যবসা, অল্পদিনেই হবেন কোটি টাকার মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদন: জীবনে কোটি টাকার মালিক হওয়া টা কিন্তু সহজ ব্যাপার নয়। লক্ষ্য করে দেখবেন আমাদের চারপাশে এমন বহু উদাহরণের মানুষ রয়েছেন যারা অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণ টাকা অর্জন করে কোটিপতি হয়ে উঠেছেন। অন্যদিকে এমন বহু মানুষ রয়েছেন যাদের হয়তো দৈনন্দিন নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। আসলে পুরোটাই নির্ভর করে কিন্তু আমাদের চিন্তাভাবনার উপরে। সঠিক চিন্তাভাবনা এবং বাজারের কথা মাথায় রেখে যদি একজন মানুষ ব্যবসা শুরু করতে পারে তাহলে তার কোটিপতি হওয়া কেউ আটকাতে পারবেনা।

তবে এই ধারণাটা সকলের মধ্যে যেহেতু থাকে না তাই কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নটাও কিন্তু অধরাই রয়ে যায়। আমাদের পোর্টালের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের সাথে এমন কিছু ব্যবসার কথা শেয়ার করে নেব যেই ক্ষেত্রে কাজ করে বহু মানুষ কোটিপতি হয়েছেন এবং বিপুল অর্থ উপার্জন করে বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছেন। যদি আপনিও নিজেকে ভবিষ্যতে এই তালিকায় দেখতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের এই প্রতিবেদনটা শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে ফেলুন।

এমন চারটি ব্যবসা যা আপনাকে গড়ে তুলতে পারে কোটিপতি:

১) তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসা: ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ কে আপনারা কম বেশি সকলেই চেনেন। বর্তমান সময়ের দাঁড়িয়ে তার মতন এত অল্প বয়সে ধনী ব্যক্তি কিন্তু খুব কমই দেখা যায়। তিনি এই বয়সেই এত অর্থ-সম্পদ কামিয়েছেন যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মেও কিন্তু সেটা চট করে শেষ হবে না যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়।

ফোর্বস ম্যাগাজিনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,২০১৭ সালে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবসায় ১৮৩ জন বিলিয়নেয়ার হয়েছেন, যা গত বছরের চেয়ে ১৪ শতাংশ বেশি। সুতরাং অবশ্যই আপনারা এই ক্ষেত্রে নিত্যনতুন জিনিস ট্রাই করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন যা আপনাকে আর্থিক সচ্ছলতা এনে দেবে।

২) গৃহায়ন ব্যবসার ক্ষেত্রে:

বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে রিয়েল এস্টেট জনপ্রিয়তা কতখানি রয়েছে আপনারা সকলেই জানেন। পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী যদি আপনারা এই ব্যবসা তুলে ধরতে পারেন তাহলে তো কোন কথাই নেই। এই ক্ষেত্রে কোটিপতি মানুষদের মধ্যে আমরা সবার প্রথমেই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম নিতে পারি। জানিয়ে রাখি, ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩.১ বিলিয়ন ডলার। চীন ও হং কংয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীরাও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ীদের অন্যতম। সুতরাং আপনারাও এই ব্যবসার ক্ষেত্রকে বেছে নিতে পারেন।

৩)ফ্যাশন ও খুচরা পণ্য সংক্রান্ত ব্যবসা:

শুরুতেই জানিয়ে রাখি,বিশ্বের ২৩৭ জন বিলিয়নেয়ার ফ্যাশন ও খুচরা পণ্যের ব্যবসায় বিলিয়নেয়ার হয়েছেন। এই ব্যবসা আর্থিক দিক থেকে অত্যন্ত সচ্ছল করে দিতে পারে মানুষকে। সবথেকে ভালো ব্যাপার এই ব্যবসার ক্ষেত্রে কিন্তু আপনাদের শুরুর দিকে খুব একটা বিনিয়োগ করার প্রয়োজন নেই। লাভের অংক বাড়ার পরে আপনারা ধীরে ধীরে বিনিয়োগ করে ব্যবসা বড় করে তুলতে পারেন। এমনকি একটু চেষ্টা করলেই দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক স্তরেও আপনারাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে পারেন যা আপনাকে কোটিপতি করে তুলতে সহায়তা করবে অতি সহজেই।

৪) ফাইন্যান্স এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত ব্যবসার ক্ষেত্র:

আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনের একেবারে সবশেষে আমরা বলব ফাইনান্স এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত ব্যবসার কথা। এই ব্যবসার ক্ষেত্র কিন্তু ভীষণ মজবুত। তবে বিনিয়োগ করার জন্য আপনার হাতে একটা বেশ বড় অঙ্কের মূলধন থাকাটাও প্রয়োজন।ফোর্বস বিশ্বের যত বিলিয়নেয়ারের তালিকা করেছে তাদের মধ্যে ৩০০ জনই ফ্যাইন্যান্স ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে ব্যবসা করে সাফল্য পেয়েছেন। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রবাদপুরুষ ওয়ারেন বাফেটের মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৮.১ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন তিনি। সুতরাং হাতে ভালো মূলধন থাকলে আপনারা ধীরে ধীরে কিন্তু এই বিনিয়োগের ব্যবসাতেও নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।

Back to top button