বাড়িতেই ট্যাংকে বা উঠোনে ঝিনুক থেকে মুক্তা চাষ করে আয় মাসে তিন লক্ষ টাকা, অবাক লাগলেও সত্যিই!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- মানুষ প্রতিনিয়ত হন্যে হয়ে খুঁজছে কিভাবে আগামী দিন সুন্দর ভাবে চালানো যেতে পারে । কারণ দেশের এই ভ-য়াবহ পরিস্থিতিতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বেকারত্বের সংখ্যা। তার পাশাপাশি কাজের থেকে কর্মীদেরকে ছা-টাই করে দেওয়ার ঘটনা উঠে আসছে প্রতিদিন । তাই একপ্রকার গভীর চি-ন্তা গ্রা-স করেছে দেশের সকল মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষজনদের । অনেকেই ব্যবসা শুরু করে দিয়েছেন। কোন কিছুর অপেক্ষা করেননি । কিন্তু কি ধরনের ব্যবসা শুরু করা যায় যদি আপনি এমনটা বলতেই জানতে চান যে কি ধরনের ব্যবসা শুরু করতে পারেন আপনি এই মুহূর্তে তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ পড়ে পড়ার অনুরোধ রইল ।

আমি এই মুহূর্তে যে ব্যবসা কথা বলতে চলেছি সেই ব্যবসা কথা শুনলে আপনার হয়তো অনেক অবাক হবেন । তার পাশাপাশি হয়তো আপনারা মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারেন এই ব্যবসার কথা শুনে । কারন আমি এই মুহূর্তে আপনাদের সামনে মুক্ত ব্যবসা কথা বলতে চলেছি । আপনি নিশ্চয়ই ভাববেন যেখানে মুক্ত এত দামী একটা জিনিষ সেখানে ব্যবসা করতে গেলে কত মোটা অংকের পুঁজি লাগবে ? কিন্তু বিশ্বাস করুন একদমই স্বল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করা যাবে এই ব্যবসা। ঝিনুকের মধ্যে মুক্তা থাকে এবং এই মুক্ত পাওয়ার জন্য আপনাকে এখন আর সমুদ্র নয় বরং বাড়ির পুকুরে গেলেই পাওয়া যাবে ।

এই মুক্ত আপনি বাড়ির পুকুরে চাষ করতে পারেন মুক্ত । ঘটনাটি শুনে অ-বাক মনে হলোও এমনটা কিন্তু করে দেখিয়েছেন কেরলের এক চাষী যার নাম কে জে মাথাচান। মাথাচানের কথা অনুসারে এই ব্যবসা শুরু করতে গেলে আপনাকে প্রথমে যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে সেটি হল পুকুরের জল অবশ্যই পরিষ্কার স্বচ্ছ থাকতে হবে । তাহলে পুকুরে মধ্যে চাষ করা যাবে মুক্ত । এবং সেই মুক্তো আপনি বিদেশে রপ্তানী করে মাসে অনেক টাকা উপার্জন করতে পারেন । আর এমনটা করে দেখিয়েছেন কেরলের এই কৃষক । এই বিষয়ে তিনি বলেন,

“চিনের উক্সিতে ধানসুই ফিসারিজ রিসার্চ সেন্টারে একদিন যাই। এই মাছ নিয়ে আমার চিরকালই একটা নেশা ছিল এবং আছে। আর সেখানে গিয়েই জানতে পারি যে, শুধু মাছ নয়।পুকুরের মধ্যে কিভাবে মুক্তা চাষ করা হয় তা ওই ইনস্টিটিউটে শেখানো হতো । সেখান থেকে আমার এই ভাবনা । কে.জে মাথাচান আরও বলেন, “খুব দ্রুতই আমি সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেছিলাম। বহু লোকই সেই সময়ে আমাকে এই কাজে নামতে বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি নিশ্চিত ছিলাম যে, এই ধরনের চাষের কাজে সাফল্য আসবেই।” শুধু তাই নয়, যেমন ভাবা তেমন কাজ।

এরপর তিনি সুদূর মহারাষ্ট্র থেকে পরিষ্কার জল নিয়ে এসে বালতিতে করে সাজিয়ে সেগু-লি তারপরে পুকুরে ফেলে টেস্টিং শুরু করে দিলেন। এই ভাবে ঠিক ১৮ মাস রিসার্চ করার পরই ৫০ বালতি মুক্ত ফলিয়ে ফেলেন মাথাচান। তিনি বলেন প্রথমে আমি পুঁজি হিসেবে দেড় লক্ষ টাকা ব্যয় করেছিলাম এবং লাভ করেছিলাম সাড়ে চার লক্ষ টাকা অর্থাৎ আমি তিন লাখ টাকা লাভ করেছিলাম । যা আমার কাছে একটা বড়সড় অংক ছিল । প্রথমবারে এত পরিমান লাভ হবে কল্পনাও করতে পারেনি । ” – তবে এই ধরনের অসাধ্যসাধন কাজ করে দেখিয়েছে কে জে মাথাচান । আপনি যদি ব্যবসা করতে চান তাহলে এই ধরনের ব্যবসা আপনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button