মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর পাঁচটি দুর্দান্ত সরকারি স্কলারশিপ, জেনে নিন!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- আমাদের রাজ্যে এমন অনেক ছাত্রছাত্রী রয়েছে যারা টাকা পয়সার অভাবে মাঝপথে গিয়ে পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে হয় । যদিও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে সম্প্রতি স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ঘোষণা করা হয়েছে । কিন্তু তার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের স্কলার্শিপ রয়েছে যেগুলো সরাসরি সরকার থেকে দেওয়া হয় । এই স্কলার্শিপ সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানেন না কিন্তু আপনাকে জানতে হবে এবং জানাবো আমরা আজকের এই প্রতিবেদনে ।

নবান্ন বা উত্তরকন্যা স্কলার্শিপ:- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রিলিফ ফান্ড এর তহবিল থেকে দেয়া হয় এবং এটি অনলাইনে এবং অফলাইনে আবেদন করা যেতে পারে । যারা উত্তরবঙ্গে থাকে তারা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারে । এবং যারা দক্ষিণবঙ্গে থাকে তারা সরাসরি নবান্ন থেকে আবেদনপত্র জমা দিতে পারে । এক্ষেত্রে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক ন্যূনতম ৬০% নাম্বার থাকা জরুরী । মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং নার্সিং পড়ুয়াদের জন্য স্কলারশিপ দেওয়া হয় ।

স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ বিকাশ ভবন স্কলারশিপ:- যারা প্রথমবারের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক মাধ্যমিক বা কলেজের ফাইনাল ইয়ার পাস করে মার্কশিট হাতে পেয়েছে তারা শুধুমাত্র আবেদন করতে পারো । অপরদিকে যারা এর আগে একবারের জন্য হলেও আবেদন করে রেখেছিলে তারা শুধুমাত্র রিনুয়াল করবে । অর্থাৎ ধরুন আপনি যদি ক্লাস ইলেভেন থেকে টুয়েলভে ওঠার সময় স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ এর জন্য আবেদন করে থাকেন ।

তাহলে টুয়েলভ পাস করে যাওয়ার পর আপনাকে রিনুয়াল করতে হবে ।নতুন করে আর আবেদন করতে হবে না ।তবে আবেদন করার ক্ষেত্রে অতি অবশ্যই আপনাকে ৭৫% নাম্বার নিয়ে পাস করতে হবে । নইলে কিন্তু গ্রাহ্য হবে না আবেদনকারী আবেদন পত্র ।স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ এর মাধ্যমে বার্ষিক ১২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে পরীক্ষার্থীদেরকে । এবং এখানে কোন কাস্ট ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে না ।

ওয়েসিস স্কলারশিপ:- মূলত একটি অন্নুনিত তপশীল উপজাতিদের জন্য এক্ষেত্রে দুই রকম ভাবে এই স্কলারশিপ পাওয়া যায় । অর্থাৎ মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার পর এই মূলত দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে । এই স্কলারশিপের জন্য আপনারা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে নজর রাখতে পারেন ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button