পরিবারের সব মহিলারাই কি পাবেন লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের টাকা? নতুন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! রইল ভিডিও।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যের বাসিন্দা কাছে যে ভোটে জয়লাভ করার পর একাধিক প্রকল্প শুরু করবে এবং এই প্রকল্পের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় জনহিতকর প্রকল্পগু-লির মধ্যে অন্যতম প্রকল্প হলো লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প । এটি কি সেটা আমি আপনি প্রত্যেকেই কম-বেশি জানি । বাড়ির মহিলারা ৫০০ টাকা এবং হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান ভাবে প্রতিমাসে ।

কিন্তু যে প্রশ্ন বারবার ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছিল যে একই পরিবারের তিন থেকে চারজন মহিলা থাকে তাহলে কি প্রত্যেক এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারবে? এতদিন ধরে কোনো রকম কোনো তথ্য না থাকলেও সম্প্রতি নবান্ন বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরলেন এ তথ্য । আমরা জানি যে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য যে বিষয়টি থাকা জরুরী সেটা হল স্বাস্থ্য সাথী কার্ড।

প্রথমদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন করেছিলেন যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকলেই তারে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন তার পাশাপাশি বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে । এবং সরকারি চাকরি করে না এমন মহিলারা এই সুবিধা পেয়ে যাবেন । কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে রাজ্যে এমন বহু মানুষ রয়েছে যারা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করেনি বা কোনো সমস্যার জন্য করতে পারেনি ।তাদের ক্ষেত্রে কি হবে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।

তার পাশাপাশি আবেদনকারীর নামে যদি স্বাস্থ্য অধিকার না থাকে তাহলে কি তার আবেদন করতে পারবে এ ব্যাপারে ছিল প্রশ্ন সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁরা যোগ্য, তাঁরা সকলেই (‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর ফর্ম) পাবেন। ২৫-৬৫ বছরের মধ্যে পাবেন। যাঁরা সরকারি চাকরি করেন না বা পেনশন পান না। সরকারি চাকরি করেন বা পেনশন পান যাঁরা, তাঁরা ছাড়া সাধারণ মা-বোনেরা পাবেন।

’সঙ্গে যোগ করেন, ‘যাঁরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করেছেন, তাঁরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেখালেই ফর্ম পেয়ে যাবেন। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে আমরা একটা নিয়ম করেছি। বাড়ির সবথেকে বয়স্ক মহিলার নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড আছে। ধরুন, সেই বাড়িতে তিনজন মহিলা আছেন। তাঁদের বয়স ২৫ থেকে ৬৫-এর মধ্যে। তাঁদের নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই। তাঁদের অভিভাবকের নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলে ওই বাড়ির বউ-মেয়েরা পাবেন।’এই ঘোষনা পরিচিত খুশির আমেজে রাজ্যবাসী ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button