অ’হংকার ডেকে আনলো কাল, ফের স্টেশনে রাস্তায় রাস্তায় ভি’ক্ষা করছে রানু মন্ডল, ভিডিও ভাইরাল!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- সত্যি কথা বলতে যে মানুষের মধ্যে যদি কোন কারণে অহংকার জন্যে যাই তাহলে একদিন তার পতন অনস্বীকার্য । সে বড় ব্যবসায়ী হতে পারে গায়ক হতে পারে গায়িকা হতে পারে অভিনেতা-অভিনেত্রী ও হতে পারে এমনকি সমাজের বিশিষ্ট মানুষ হতে পারে । সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম এবং এই নিয়মের বেড়াজালে আ-টকা পড়ে গিয়েছিলেন রানু মন্ডল । রানাঘাট স্টেশন চত্বরে গান গাওয়া এবং উপার্জন করা রানু মন্ডল এর জীবন কাহিনী রাতারাতি পাল্টে গিয়েছিল সে কথা আমি আপনি প্রত্যেকেই জানি । কিন্তু অ-হংকার হয়ে গেল তার প-তনের মূল কারণ ।

অতীন্দ্র বলে কোন এক পথযাত্রী তার গাওয়া গানটি ভিডিও রেকর্ড করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে শেয়ার করেন ।মুহূর্তের মধ্যেই ভিডিও ভাইরাল হয় এবং রানু মন্ডল কে জানতে থাকে দেশের আনাচে-কানাচে থাকা প্রতিটি মানুষ।সেই মতো রানু মন্ডল হিমেশের সাথে একটি গান করেন। কিন্তু তারপর তারপর কে-টে গেছে অনেকটা সময়। কোথাও যেন হারিয়ে গেছে রানু মন্ডল । কিন্তু কেন হারিয়ে গেছে তার কারণ আমাদের সকলেরই জানা । তার এই হারিয়ে যাওয়ার পিছনে আছে শুধুমাত্র তার অহংকার রয়েছে ।

এই রানু মন্ডল রীতিমতো তার অসম্ভব সুন্দর কন্ঠের জন্য ভাইরাল হয়েছিল রাতারাতি পৌঁছে গিয়েছিল মুম্বাইয়ের মতন জায়গায়। পাশাপাশি ভারতের বাইরে বাংলাদেশ ও তাকে নিয়ে প্রবল আগ্রহ ছিল । কিন্তু অল্প সময়ে তারকা হয়ে যাওয়াতে তার শরীরে জন্ম নেয় অহংকার। আর আমরা জানি অ-হংকার প-তনের মূল কারণ। ঠিক তেমনটাই হলো রানু মন্ডল এর সাথে । ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক খবরে জানানো হচ্ছে যে রানু মন্ডল এক সময় এক বছর আগে পুরো বাজার দখল করে রেখেছিল নিজের কন্ঠ দিয়ে সে রানু মন্ডল কে আবার ফিরে যেতে হল সেখানে যেখান থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন অর্থাৎ রানাঘাট স্টেশনে ।

ল-কডা-উন সময় জানা যাচ্ছিল বী-ভৎস ক-ষ্টের মধ্যে রয়েছে রানু মন্ডল । এর বিভিন্ন ইউটিউবাররা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল তার দিকে । একাধিকবার বিভিন্ন ইউটিউবার সাক্ষাৎকারের নাম করে তার হাতে তুলে দিয়েছেন কখনো টাকা কখনো আবার খাবার । কিন্তু রানু মন্ডল প-তনের জন্য তার অহংকার একমাত্র দায়ী । এমনটা মনে করছে অনেকেই ।কারণ তিনি সাংবাদিক বন্ধুদের সাথে শুরু করে তার অনুরাগীদের সাথে দু-র্ব্যবহার করে প্রকাশ্যে রানু মন্ডল থেকে আমাদের প্রত্যেকের শিক্ষা নেওয়া উচিত যে জীবন আমরা যতই বড় হয়ে যায় না কেন কখনই অহংকার জন্মাতে দেয়া উচিত নয় ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button