লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা পেতে গেলে মেনে চলতে হবে কি কি শর্ত? লাগবে কি কি ডকুমেন্ট? জেনে নিন বিস্তারিত।

নিজস্ব প্রতিবেদন :- এবার লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প সম্পর্কে যতগুলি প্রশ্ন সাধারণত উঠে আসছে সোশ্যাল মাধ্যমে সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে ওই প্রতিবেদনের মাধ্যমে । সমাজে পিছিয়ে পরা মহিলা সমাজকে সামনের সারিতে তুলে আনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক প্রকল্প ঘোষণা করেছে । আমরা দেখেছিলাম যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি ইশতেহার প্রকাশ করা হয়েছিল ।

যে ইশতেহার এ বলা হয়েছিল একাধিক জনহিতকর প্রকল্পের কথা । তার মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য ছিল লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প যা আমি-আপনি প্রত্যেকে জানি । কি এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প ?মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবান্ন থেকে ঘোষণা করেন যে ১ লা সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাম থেকে শহরে ছড়িয়ে পড়বে এই লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের কাজ ।আগামী ১৬ ই আগস্ট থেকে ১৫ ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুয়ারে সরকার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে ।

সেখানে গিয়ে দরখাস্ত করলেই মিলবে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের টাকা ।।রাজ্যের সব মহিলারা এই টাকা পাবেন বলে জানা যাচ্ছে ।। তার পাশাপাশি সেই সমস্ত মহিলাদেরকে থাকতে হবে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা অনুসারে তপশীল উপজাতিদের মহিলারা মাসে হাজার টাকা করে এবং সাধারণ বা জেনারেল কাস্টে মহিলারা মাসে ৫০০ টাকা করে অনুদান পাবে সরকারের তরফ থেকে । এর ফলে সেই সমস্ত মহিলারা নিজেদের খরচ নিজেরাই চালাতে পারবে । অন্য কারোর অপেক্ষায় তাদেরকে বসে থাকতে হবে না ।

এতদিন ধরে এই প্রকল্পের অপেক্ষায় বসে ছিল রাজ্যের সমস্ত মহিলারা । এবার সেই কাজ শুরু হচ্ছে অতি শীঘ্রই । ১ লা সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাম থেকে শহরে ছড়িয়ে পড়বে এই প্রকল্পের কর্মসূচি।কিন্তু যে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে বারবার যে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পে আবেদনকারীর স্বাস্থ্য সাথী কার্ড কি থাকা বাঞ্ছনীয় তার পাশাপাশি কাস্ট সার্টিফিকেট থাকার কি দরকার ব্যাংক একাউন্ট কি জিরো ব্যালান্সের হতে হবে জয়েন্ট একাউন্ট ছাড়া কি হবে না ইত্যাদি যদি এই সমস্ত প্রশ্ন উত্তর দেয়া হবে এই প্রতিবেদনে ।

বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে আবেদনকারীর একটি সিঙ্গেল একাউন্ট থাকতে হবে অর্থাৎ জয়েন্ট একাউন্ট ধারী গ্রাহকরা আবেদন করতে পারবে না তবে আপনাদের হাতে এখনো সময় রয়েছে অতি অবশ্যই একটা সিঙ্গেল একাউন্ট করিয়ে নিন । এর পাশাপাশি যাদের কাছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড আছে তারা আবেদন করতে পারবে এবং যাদের নেই তারা দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর জন্য আবেদন করতে পারবে তাদের কাছ থেকে প্রদত্ত সমাধান চূড়ান্ত বলে ঘোষণা করা হবে ।

যাদের কাছে কোন রকম কোন কাস্ট সার্টিফিকেট নেই তারা জেনারেল এর জন্য আবেদন করতে পারবে । জিরো ব্যালেন্স এর অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই । ভারতবর্ষের যেকোনো ব্যাংকের আইএফসি কোড অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক তাহলে আপনারা লক্ষী ভান্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button