যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা ৯০% থাকে যে সকল মেয়েদের, জেনে নিন বিয়ের আগেই!

নিজস্ব প্রতিবেদন :- যমজ সন্তান হওয়ার মতন হয়তো সারপ্রাইজ আর অন্য কোনো কিছুতে নেই । কিন্তু একথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে যমজ সন্তানের মতন সারপ্রাইজ পেতে চায় না কেউ । তার কারণ এতে মায়ের শ-রীরের উ-পর ধ-কল বে-ড়ে যা-য় । জন্মের আগে এবং পরে । তার পাশাপাশি আর্থিক অবস্থা তাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ নাও থাকতে পারে অনেকে । তাদের ক্ষেত্রে দু-শ্চিন্তার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায় । তাই আগে থেকে যদি এই সমস্ত বিষয়গুলি জানা যেত যে কি কি বিষয়ের উপর নির্ভর করে যমজ সন্তান হবার তাহলে হয়তো প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে আগে থেকে । তাই আজকের প্রতিবেদন আপনাদেরকে জানাবো যমজ সন্তান কি কি বিষয়ের উপর নির্ভর করে ।

জিনগত সমস্যা: অর্থাৎ যদি আপনি আপনার পরিবারের কোনো যমজ ভাই বা বোন থেকে থাকে তাহলে কিন্তু পরবর্তী ক্ষেত্রে আপনার যমজ সন্তান হবার সম্ভাবনা থাকে প্রচুর পরিমাণে ।কারণ এটি কিছুটা হলেও চীনের ওপর নির্ভর করছে ।

বয়স :- মহিলাদের বয়স যত এগিয়ে যাবে অর্থাৎ ৩৫ বছর থেকে ৪০ বছরের মধ্যে যদি সন্তান ধারণ করে তাহলে সে ক্ষেত্রে যমজ সন্তান হবার প্রবণতা প্রবল পরিমাণে । কারণ এমনটা মনে করা হয় যে মেয়েরা যত ঋতুচক্র বন্ধের দিকে এগিয়ে যাবে ততই তাদের শ-রীরে হ-রমো-নের বদল ঘটতে থাকে । এবং এই বদল এর জন্য সম্ভাবনা বাড়তে থাকে যমজ সন্তানের ।

যাঁরা আইভিএফ পদ্ধতিতে মা হচ্ছেন, তাঁরা সফল হওয়ার জন্য অনেক সময় একাধিক ভ্রুণ শরীরে প্রবেশ করান। ঠিক যে ভাবে জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘ফ্রেন্ডস’ও ফিবি বুফে তিনটে সন্তানের জন্ম দিয়েছিল, একই ভাবে আপনার ক্ষেত্রেও যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। একাধিক ভ্রু-ণ শরীরে প্রবেশ করালে হতেই পারেই আইভিএফ পদ্ধতিতে তাঁর প্রত্যেকটাই সফল হল।

যাদের স্থূলতা জনিত রো-গ বা ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে থাকে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু যমজ সন্তান হবার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে । সন্তান ধারণের সময় শরীরের ওজন কতটা রাখা উচিত সে ব্যাপারে অতি অবশ্যই চি-কিৎ-সকের সাথে পরামর্শ করুন ।

যমজ সন্তানধারণে অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে উচ্চতা । একটা সমীক্ষায় দেখা গেছে যে যে সমস্ত মেয়েরা যমজ সন্তান ধারণ করেছে তাদের উচ্চতার অন্যান্য মেয়েদের উচ্চতা থেকে অনেকটা বেশি ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button