শীতের ঠাণ্ডায় সংসারের এই কঠিন কাজগুলি হবে মিনিটেই শেষ! শুধু ট্রাই করুন এই কয়েকটি দুর্দান্ত টোটকা

নিজস্ব প্রতিবেদন: শীতকাল মানেই বছরের এমন একটা সময় যখন আমাদের কাজকর্ম করতেও একটা আলস্য ভাব চলে আসে। বিগত কয়েকদিন ধরে ঠান্ডাতে গোটা বঙ্গ জুড়েই মানুষের অবস্থা ভীষণ খারাপ হয়ে পড়েছে। আজ তাই শীতকালীন সময়ের উপর নির্ভরশীল কিছু টিপস আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি। এই টিপসগুলিকে যদি কাজে লাগাতে পারেন তাহলে কিন্তু আর কখনোই সংসারের কাজ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। যদি প্রতিবেদনটি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই লাইক আর কমেন্ট করতে ভুলবেন না।

১) শীতের সময় মাথায় তেল দিতে গিয়ে অনেকেই দেখেন যে তেল জমে গিয়েছে। এই তেল যদি আপনারা দ্রুত গলাতে চান সেক্ষেত্রে একটা পাত্রের মধ্যে কিছুটা গরম জল বসিয়ে দেবেন এবং তাতে তেলটা কিছুক্ষণ রেখে দেবেন । দেখবেন কত সহজেই তেল গলে যাচ্ছে।

২) বাজার থেকে অনেক জিনিস কেনার সময় আমাদের এডিবল ব্যাগ দেওয়া হয়ে থাকে। এই ব্যাগগুলো ফেলে না দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে ছোট টুকরো করে কেটে যে কোন প্লাস্টিকের বক্সে ভরে দিন। তারপর এই ব্যাগের মধ্যে কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল এবং গ্লিসারিন দিয়ে দিন। সহজেই যখন কোথাও বাইরে যাবেন বা বাড়িতেই অনুষ্ঠান থাকবে তখন লিপস্টিক পড়লে এই টুকরোগুলো ব্যবহার করে আপনারা কিন্তু কোন রকম ঘষা ছাড়াই সহজে তুলে ফেলতে পারবেন।

৩) শীতকালে কোনমতেই বিছানায় কটন চাদর বা সুতির চাদর পাতবেন না। এগুলো কিন্তু খুবই বেশি ঠান্ডা হয়ে যায়। সব সময় কম দামের সিন্থেটিক চাদর শীতকালে বিছানায় পেতে রাখার চেষ্টা করবেন।

৪) শীতকালে বিছানা গরম রাখার জন্য আরও একটা কাজ আপনারা করতে পারেন তা হল যে কোন পাতলা কম্বল শোয়ার আগে চাদরের উপর পেতে দিতে পারেন। তাহলে কিন্তু বিছানার মধ্যে থাকা ঠান্ডা ভাব গরম কম্বল আটকে দেবে।

৫) আপনারা বিছানা গরম রাখার জন্য আরও একটা কাজ করতে পারেন সেটা হল শীতকালে খেতে যাওয়ার ঠিক আগে যে কম্বল গায়ে দিয়ে শোবেন সেটা দিয়ে পুরো বিছানাটা ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে কম্বলের গরম ভাব খুব সহজে খাটের ঠান্ডা ভাবটাকে দূর করে দেবে।

৬) শীতকালের যখন সোয়েটার পড়া হয় তখন রান্নাঘরের কোন কাজ করতে গেলে সোয়েটারের হাতা নিচে নেমে চলে আসে। এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য যে কোন রবার নিয়ে সোয়েটারের ঠিক উপরের অংশে লাগিয়ে দেবেন।

৭) বাসন মাজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজের সময় কিন্তু শীতকালে অবশ্যই অ্যাপ্রন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। কারণ এটি ব্যবহার করলে কোন রকম জলের ছিটে লাগবেনা আর আপনাদের কাজ করতেও সমস্যা হবে না।

৮) কমলালেবু খাওয়ার পরে অনেকেই খোসা ফেলে দিয়ে থাকেন তবে এটা এবার থেকে আর করবেন না। এই খোসাগুলো প্রথমেই আপনাদের একটা পাত্রে জল গরম বসিয়ে সেখানে দিয়ে দিতে হবে। তারপর ঢাকনা চাপা দিয়ে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত রেখে দিন। অন্য একটা পাত্রে এক মগ ঠান্ডা জল নিয়ে নিন। তারপর সামান্য লবণ আর বেকিং সোডা এই ঠান্ডা জলের মধ্যে যোগ করুন। এরপর এর মধ্যে কমলালেবুর খোসা মিশ্রিত জলটা দিয়ে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রেখে দিন। দেখবেন পায়ের মধ্যে অনেকটা নরম ভাব চলে এসেছে এবং শুষ্কতা জনিত সমস্যা দূর হয়ে গেছে।

Back to top button