চাকরির আশা ছেড়ে একদম অল্প ইনভেস্টে ব্যবসা করে আয় করুন প্রচুর টাকা! জেনে নিন এই ৫টি দুর্দান্ত ব্যবসার আইডিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদন: ব্যবসা অনেক ধরনের হয়ে থাকে তবে তার মধ্যে এমন কিছু ব্যবসা রয়েছে যা খুব সহজেই মানুষকে নিজেদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করে থাকে। আপনারা যদি ব্যবসার সেই সঠিক পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করতে পারেন সে ক্ষেত্রে কখনোই ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে একেবারে স্বল্প পুঁজিতে শুরু করা যাবে এরকম কিছু ব্যবসার আইডিয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যারা সম্প্রতি নতুন কোন ব্যবসা শুরু করার কথা চিন্তাভাবনা করছেন তারা সহজেই আমাদের এই প্রতিবেদনটা ফলো করতে পারেন।।

১) ড্রাগন ফলের ব্যবসা:
আপনারা চাইলে যেকোনো ওয়েবসাইট থেকে ড্রাগন ফল সংগ্রহ করে নিয়ে সহজেই কিন্তু সেটাকে বাজারে বিক্রি করতে পারেন। নিজেরা খুব সহজে এটাকে উৎপন্ন ও করতে পারেন।। এই ওয়েবসাইট তৈরি করতে বা ফলের বিক্রি করার সময় কিন্তু আপনাদের বিশেষ কোনো ইনভেসমেন্ট করতে হবে না। বাজারে যেহেতু ড্রাগন ফলের দাম প্রচুর তাই এই ব্যবসা একেবারে রমরমিয়ে বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। ওয়েবসাইট তৈরি করতে আপনাদের খুব বড় জোর ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

২) কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের ব্যবসা:

বিভিন্ন কম্পিউটার সেন্টারের কাছ থেকে ফ্রাঞ্চাইজি নিয়ে আপনারা কিন্তু খুব সহজেই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সব সময় চেষ্টা করবেন স্কুল বা কলেজের কাছে অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের হাতের মুঠোয় এই ব্যবসাটি শুরু করার। তাহলে কিন্তু এই ব্যবসা সহজেই দাঁড়িয়ে যাবে এবং অত্যন্ত লাভজনকভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে। বর্তমান সময়ে সকল বয়সের ছেলেমেয়েদের কম্পিউটার জানাটা ঠিক কতটা প্রয়োজন তা আপনারা সকলেই জানেন। কম্পিউটার সেন্টারে লাইসেন্স নেওয়ার জন্য আপনাকে কিন্তু এদের সেন্টার বা ফ্র্যাঞ্চাইজি যেখান থেকে নিচ্ছেন সেখানেই যোগাযোগ করতে হবে। একটা ঘরের মধ্যে খুব সহজেই চার থেকে পাঁচটা কম্পিউটার ইন্সটল করে আপনারা এই কাজটা শুরু করতে পারেন।

৩) মোবাইল সারানোর দোকানের ব্যবসা:

বর্তমানে যেহেতু স্মার্টফোনের ব্যবহার অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে তাই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এটা খারাপ হওয়ার পরিমাণও কিন্তু বেড়েছে। সুতরাং আপনারা সহজেই এই ব্যবসা চালু করতে পারেন। জর্জ টেলিগ্রাফ থেকে শুরু করে বহু ইনস্টিটিউটে এই মোবাইল সারানোর জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। সেখান থেকে মোবাইল বা টিভি প্রভৃতি জিনিসগুলো সারানোর প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনারা নিজেদের কাজ শুরু করতে পারেন। এটাও কিন্তু খুব লাভ দায়ক ব্যবসা যা খুব সামান্য বিনিয়োগে আপনারা শুরু করতে পারবেন।

৪) ডেকোরেশন এর ব্যবসা:

যেকোনো ডেকোরেশনের ব্যবসাতেও কিন্তু বিভিন্ন অনুষ্ঠান ভিত্তিতে প্রচুর রোজগার হয়ে থাকে। গোটা বছর ধরেই এই ব্যবসাটা চলে আর প্রচুর উপার্জন হয় এই ব্যবসায়। ডেকোরেশন এর ব্যবসায় মূলত বিভিন্ন ধরনের সাজগোজ বা ইন্টেরিয়ার আপনাকে সুন্দর ভাবে প্রস্তুত করতে হবে।বিয়ের সিজনে কিন্তু এই ধরনের ব্যবসা প্রচুর লাভদায়ক। সহজেই বিভিন্ন ধরনের ইউটিউব আইডিয়া বা ইভেন্ট প্ল্যানারদের কাছ থেকে এই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে আপনারা ব্যবসায় নামতে পারেন।।

৫) গ্রাফিক ডিজাইনের ব্যবসা:

সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে কিন্তু আজকাল মানুষ বিভিন্ন ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন ভিডিও বানানো থেকে শুরু করে অনেক কাজেই নানান ধরনের থাম্বনেল বা পোস্টার প্রয়োজন হয়। এগুলোকেই গ্রাফিক ডিজাইন বলা হয়ে থাকে। নানান ধরনের অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে এই কাজগুলো করা হয়। সুতরাং আপনারা যদি এই কাজ শিখে নেন তাহলেও কিন্তু কখনো উপার্জনের অভাব হবে না।কাজ জানা থাকলে বেকার যুবক যুবতীরা ঘরে বসেই এটা করতে পারেন।

Back to top button