হোলসেলের রেটে পেয়ে যান সুন্দর ডিজাইনের যেকোনো শাড়ি! এখান থেকে কিনে ব্যবসা শুরু করলে লাভ হবে প্রচুর

নিজস্ব প্রতিবেদন: নিজেকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এবং প্রতিষ্ঠিত করে তোলার জন্য মানুষের কাছে এখন সবথেকে বড় হাতিয়ার হিসেবে ধরা দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা। কোনভাবেই কিন্তু ব্যবসা ছাড়া নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন মধ্যবিত্ত মানুষ।। তবে কিভাবে ব্যবসা করার জন্য তারা পুঁজি সংগ্রহ করবেন এটাই হচ্ছে সবথেকে বড় সমস্যার ব্যাপার। লকডাউনের পরবর্তী সময়ে যেহেতু মানুষের আর্থিক অবস্থা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে তাই এরকম জায়গায় দাঁড়িয়ে একটা ব্যবসা শুরু করার জন্য কিন্তু বিপুল অর্থ ব্যয় করা একেবারেই অসম্ভব।

নতুন ব্যবসায়ীদের যাতে এই ক্ষেত্রে কোন সমস্যা না হয় তাই আমরা নিয়ে চলে এসেছি আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা শাড়ির ব্যবসার একটি আইডিয়া সম্পর্কে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। কমবেশি আপনারা হয়তো অনেকেই শাড়ির ব্যবসা সম্পর্কে প্রায় সবকিছুই জানেন। আসলে দৈনন্দিন জীবনে তো এই ব্যবসা নতুন নয়! তবে লাভবান হতে গেলে কিন্তু এই শাড়ির ব্যবসাকেই একটু নতুন আঙ্গিকে আপনাদের শুরু করতে হবে।

কিভাবে শুরু করবেন এই শাড়ির ব্যবসা?

শাড়ির ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাদের প্রথমেই একেবারে পাইকারি রেটে পণ্য সংগ্রহ করে নিতে হবে। পাইকারি দামে যদি আপনারা পণ্য কিনে নেন সে ক্ষেত্রে লোকাল মার্কেটে এটাকে খুব সহজেই প্রফিট মার্জিন রেখে বিক্রি করা যেতে পারে। এই শাড়ির ব্যবসা শুরু করা এতটাই সোজা আপনাকে কখনোই ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা করতে হবে না।

আবার যেহেতু পাইকারি রেটে আপনারা জিনিস কিনছেন তাই বড়সড়ো অংকের অর্থ প্রফিট রেখে আপনারা নিজেদের কাজ শুরু করতে পারবেন। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আপনাদের চালু করা দোকানে যেন মোটামুটি সকল বয়সের মহিলাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকে। অর্থাৎ সব ধরনের শাড়ি একই ছাদের তলায় রাখার চেষ্টা করবেন যাতে কোন গ্রাহককেই আপনার দোকান থেকে ফেরত না যেতে হয়।

পশ্চিমবঙ্গের বুকে কিন্তু এমন বহু শাড়ির পাইকারি দোকান বা ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট রয়েছে যেখান থেকে আপনারা খুব সহজেই স্বল্প মূল্যে বা জলের দামে শাড়ি কিনতে পেয়ে যাবেন। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেহেতু আপনারা অফলাইন মার্কেটের মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করছেন তাই যেন আপনাদের দোকান একটু জনসমাগম পূর্ণ স্থানের মধ্যে হয়ে থাকে। যাতে কখনোই আপনাদের অসুবিধার মুখোমুখি না হতে হয়।

আপনারা চাইলে এই শাড়ির ব্যবসা কে ধরার জন্য অফলাইন মার্কেট অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়াকেও টার্গেট করতে পারেন।সেক্ষেত্রে আপনারা বিভিন্ন পোস্ট বা লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে শাড়ি বিক্রি করতে পারবেন। প্রতিবেদনের শেষে আমরা আপনাদের সাথে একটি ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের ঠিকানা শেয়ার করে দেবো। এখানে মাত্র ৫৫০ টাকা থেকে সিল্কের শাড়ির বিভিন্ন ভ্যারাইটির কালেকশন শুরু হচ্ছে। যদি আপনারা কোন দূরের জায়গাতে বসবাস করে থাকেন সেক্ষেত্রে ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমেই কিন্তু আপনারা অর্ডার ডেলিভারি পেয়ে যাবেন।

Shop Name : Halder babu sareeghor.
Address : Gobindopur, Santipur, Nadia, west bengal.
Contact : 8250644749.

Back to top button