কোথাও ঘুরতে গেলে খিদে পেলেও পরবেন না সমস্যায়, এবার থেকে সাথে রাখুন এই ৫ রকমের খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদন: হাজারো ব্যস্ততার ফাঁকে সপ্তাহান্তে ছুটির দিন বা উৎসবের দিনগুলিতে ছোটখাটো ভ্রমণে বেরিয়ে পড়তে সকলেই ভালোবাসেন। তবে এই ভ্রমণে যাওয়ার সময় যে ব্যাপারটা নিয়ে সব থেকে বেশি সমস্যা দেখা দেয় সেটা হল খাবার। অনেকেই আছে কোথাও ঘুরতে গেলে নানান ধরনের রিচ খাবার বাইরে খেয়ে থাকেন।

তবে এই ধরনের খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করে নেব কোন ট্রিপে আপনারা কি ধরনের খাবার নিয়ে যেতে পারেন তা নিয়ে। অবশ্যই আমাদের এই প্রতিবেদনটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং সুস্থ থাকার চাবিকাঠি জেনে নিন।

ভ্রমণের সময় ঘরে তৈরি পাঁচটি খাবার সাথে রাখুন:

১)ভাজা জাতীয় খাবার:

বাইরে কোথাও ঘুরতে গেলে লুচি বা পরোটা কিন্তু সর্বদাই আপনার কাজে লাগতে পারে। তবে এই সময় লুচি বা পরোটা তৈরি করার সময় জলের পরিবর্তে দুধ ব্যবহার করুন। তাহলে এগুলো দীর্ঘ সময় পর্যন্ত নরম অবস্থায় থাকবে এবং খাওয়া যাবে। সাধারণ লুচি বা পরোটা তৈরি না করে আপনারা একটু আলাদা ধরনের রেসিপি ট্রাই করতে পারেন যেমন—নমকিন পরোটা, বেসন পরোটা, নমকিন পুরি অথবা আলুর পরোটা। অবশ্যই এবার থেকে তাহলে ছোটখাটো কোন ট্রিপে গেলে এই প্রথম টিপস একেবারেই ভুলবেন না।

২) শুকনো চাটনি ও সবজি জাতীয় খাবার :

যেকোনো শুকনো চাটনি জাতীয় খাবার কিন্তু অনেক দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। লুচি বা পরোটা নিয়ে গেলে অবশ্যই সাথে এটি ট্রাই করে দেখতে পারেন।চিনাবাদাম চাটনি, তিলের চাটনি, নারকেল চাটনি‌ প্রভৃতি ট্রিপে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেস্ট অপশন। আচার বা মোরব্বা জাতীয় খাবারও কিন্তু এই ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে।

যদি চাটনি বা আচার ব্যবহার করে খেতে না চান সেক্ষেত্রে হালকা করে সবজিও রান্না করে নিয়ে যেতে পারেন। তবে সাধারণত বাড়িতে যেভাবে আপনারা সবজি রান্না করে খান তার থেকে একটু আলাদাভাবে রান্না করতে হবে।জল না যোগ করে সবজি রান্না করুন এবং অল্প পরিমাণে তেল দিন। যাতে সবজি নষ্ট না হয়। আপনি ভ্রমণের জন্য আলুর ড্রাই সবজি, মশলাদার করলা, ভাজা ঢেঁড়স, ছোলার সবজি ইত্যাদি তৈরি করতে পারেন।

৩) যে কোন শুকনো খাবার:

যদি আপনারা লুচি বা পরোটা জাতীয় খাবারের ঝামেলা ভোগ করতে না চান সে ক্ষেত্রে যে কোন শুকনো খাবারও কিন্তু আপনাদের কাজে লাগতে পারে। বাইরের রিচ খাবার তুলনায় এটা কিন্তু অনেকটাই ভালো। এইক্ষেত্রে খাবার হিসেবে যেগুলো আপনারা সঙ্গে রাখতে পারেন চাকলি, সেভ, ভাজা চানাডাল, নিমকি, লবণাক্ত চিনাবাদাম, ভাজা ছোলা, চিপস, খখরা, বিস্কুট ইত্যাদি ।তাৎক্ষণিক চা বা কফির প্যাকেটও বাজারে পাওয়া যায় আজকাল। ফুটন্ত জল যোগ করার সাথে সাথে বিভিন্ন ধরণের চা প্রস্তুত করা হয়। ঠিক একই রকম ভাবে স্যুপের প্যাকেট ও রাখতে পারেন।

৪) শুকনো মিষ্টি জাতীয় খাবার:

ছোটখাটো কোন ট্রিপে শুকনো মিষ্টি জাতীয় খাবারও কিন্তু বেশ চাহিদা সম্পন্ন। বাচ্চা থেকে বড় সকলেই এটা খেতে অত্যন্ত পছন্দ করে থাকে।গুঁড়ের পাটালী, লাড্ডু, বরফি, সনপাপড়ি, কাঠি গজা, তিলপট্টি, ইত্যাদি‌ শুকনো মিষ্টি হিসেবে বহন করতে পারেন। ভাত জাতীয় খাবার নিতে চাইলে দই ভাত নিতে পারেন। তবে দই-ভাত সঙ্গে নিতে চাইলে ভাত বানিয়ে তাতে দুধ দিন এবং নাড়ার পর এক চামচ দই দিয়ে রাখুন। এতে এটা চট করে নষ্ট হবে না।

৫) চটজলদি তৈরি করা যায় এমন যে কোন খাবার:

আজকাল বাজারে কিন্তু ইনস্ট্যান্ট বা তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি করা যায় এরকম প্রচুর পরিমাণে খাবার পাওয়া যায়। এগুলো তৈরি করা ভীষণ রকমের সহজ এবং আমাদের শরীরের পক্ষে বাইরের রিচ খাবারের মতন অতটা ক্ষতিকর নয়।ইন্সট্যান্ট উপমা, ইন্সট্যান্ট পোহা, কাপ নুডলসের মতো ঝটপট খাবারগুলি ট্রাই করে দেখুন। খুব সহজেই গরম জল যোগ করে এগুলো তৈরি করা যায়। সুতরাং কোন রকমের অতিরিক্ত ঝামেলার প্রয়োজন নেই।

Back to top button