“আমায় ঘুগনি করে দাও না মাগো! বেচবো পুজোর প্যান্ডেলে!”, মমতার অনুপ্রেরণায় গান গেয়ে ভাইরাল যুবক, রইল ভিডিও

নিজস্ব প্রতিবেদন: সম্প্রতি রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিন কয়েক আগেই মেদিনীপুরের খড়্গপুরের একটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের উদ্দেশ্যে মমতা জানান, “পুজোয় হাজার টাকা জোগাড় করে একটা কেটলি কিনুন, আর সঙ্গে নিন মাটির ভাড়।

কিছু বিস্কুটও রাখুন। ধীরে ধীরে বাড়বে। প্রথম সপ্তাহে বিস্কুট নিলেন। মাকে পরের সপ্তাহে বললেন ঘুগনি তৈরি করে দাও। সেটাও নিয়ে যান। সবই কিন্তু বিক্রি হয়ে যাবে। তারপরের সপ্তাহে তেলে ভাজা করলেন।। পাশাপাশি একটা কৌটোয় ঝাল মুড়ি নিয়ে নিন। তাতে বাদাম আর ছোলা ফেলে দিন। দেখবেন একে একে সকলে খেতে চাইবে। আপনারা বিক্রি করে শেষ করতে পারবেন না”।

এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে আরো যোগ করে বলেন, “দেখুন শালপাতার মাঝখানে ফুটো করে একটা কাঠি ঢুকিয়ে দিন। ঠোঙ্গা তৈরি হয়ে যাবে। তার মধ্যেই ঘুগনি, ঝালমুড়ি বিক্রি করবেন। ধরুন একটা টেবিল আর একটা টুল নিয়ে বসলেন। সামনে পুজো আসছে। লোককে দিয়ে কুলিয়ে উঠতে পারবেন না। আজকাল এত বেশি পরিমাণে বিক্রি রয়েছে”।

যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যটি ভাইরাল হওয়ার পরে কম বিতর্ক হয়নি। তবে এবারে তৃণমূল নেত্রীর এই বক্তব্যকেই কাজে লাগিয়েই একটি বিশেষ গান তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে উঠেছেন এক যুবক। গত ২৪ ঘন্টা আগে একটি জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ থেকে এই যুবকের একটি গানের ভিডিও শেয়ার করা হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা মাত্র এই কিছু সময়ের মধ্যেই প্রায় ২ লক্ষ ৬৮ হাজার মানুষ দেখে নিয়েছেন।

জানা যাচ্ছে ওই যুবকের নাম রাজেশ। ভাইরাল ভিডিওতে তিনি একটি গান করছেন যার দিকে লাইন অনেকটা এরকম,“ঘুগনি করে দাও না মাগো বেচবো পুজোর প্যান্ডেলে”। গানের এর পরের দিকে লাইন গুলি আরো বেশি রকমের মজাদার।

প্রত্যেকটা লাইনের মাধ্যমেই যেন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি আর সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর ভাইরাল হওয়া বক্তব্যকে কটাক্ষ করতে চেয়েছেন ওই যুবক। নেটিজেনরা তার এই গান বেশ ভালো রকম পছন্দ করেছেন সেটা ভিডিওর কমেন্ট বক্স দেখলেই কিন্তু সহজেই বোঝা যাচ্ছে। যুবকের গানের প্রতিটা লাইনের যে মাহাত্ম্য রয়েছে সেটা জনগণ যেন উপলব্ধি করতে পেরেছেন।

ভাইরাল এই গানটির কমেন্ট বক্সে জনৈক এক ব্যক্তি যেমন লিখেছেন,“ভাল লাগল। এবার পুজোর গান এটাই হোক।তবুও ঐ বেহায়া নেত্রীর কোনও লজ্জা কোনও দিনই হবে না।বেকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করা – একদিন ঠিক এর বিচারের ফল পাবেই পাবে”। অন্য আরেক ব্যক্তির কথায় ,“প্রতিটি পুজোর প্যান্ডেলে বাজুক গান টি , খেলা হবে’ গানটি যে রকম হিট হয়েছিল এটাই খুব সুপার ডুপার হিট হবে ।

রাজ্যের প্রধানের দৃষ্টি ভঙ্গি দেখে বাংলার মানুষ স্তম্ভিত।আপনার ঘরের বৌ পর্যন্ত কাউন্সিলর হয়ে কোটিপতি আর বাংলার লক্ষলক্ষ যুবক যুবতী,মার্কস নম্বর নিয়ে চপ ঘুগনি বেচবে ভাবা যায় ! সরকারি চাকরি শিল্প সংস্থায় চাকরি দিশা নাইবা দেখালেন তাই বলে তাদের উপদেশের নামে হেও করবেন এটা অকল্পনীয় ! কিছুই যখন পারছেন না চুপ করে থাকুন প্রত্যেকের ভবিষ্যতের দিশা নিজেরা খুঁজে নেবে।

আপনার বক্তব্যের সারসত্বা মাথায় রেখে ছোট্ট ভাইটি গানটি গেয়েছে আমরা জানি আপনি খুব ব্যস্ত তবুও একটু সময় করে শুনে নেবেন ,রাজ্যের সাধারণ নাগরিক হিসেবে আপনার কাছে এই আবেদন রইল”।প্রতিবেদনটি ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই কিন্তু আপনারা এই গান শুনে নিতে ভুলবেন না। পাঠকদের সুবিধার্থে প্রতিবেদনের সঙ্গেই আমরা আজকের এই গানটি যোগ করে দিলাম।

Back to top button