বাড়ির ছাদে বা উঠোনে টমেটো গাছ লাগানোর সাথে করুন এই একটি ছোট্ট কাজ, মাত্র কয়েকদিনেই ফলন হবে দ্বিগুণ

নিজস্ব প্রতিবেদন: একটি উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন সবজি হল টমেটো। কমবেশি অনেকেই এই সবজিটি খেতে কিন্তু ভালবাসেন। টমেটো বিভিন্ন তরকারিতে যোগ করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি এটা দিয়ে চাটনি, স্যালাড থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত খাবার তৈরি করা যায়।

প্রধানত শীতকালের সবজি হলেও আজকাল কিন্তু বছরভর এটি চাষ করা হয়ে থাকে। খুব সহজেই বাড়ির বাগানে আপনারা টমেটো চাষ করে নিতে পারেন। তবে তার জন্য আপনাকে বিশেষ কয়েকটি পদ্ধতি অবশ্যই অবলম্বন করতে হবে। এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো স্টেপ বাই স্টেপ করলে টমেটো গাছের ফলন কিন্তু দ্বিগুণ হবে। চলুন তাহলে সময় নষ্ট না করে জেনে নেওয়া যাক।

টমেটো গাছের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এর কাটিং কিন্তু ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কাটিং করলে গাছ ঝাঁকালো হবে এবং দ্রুত ফুল আসবে। প্রথমেই আপনাকে গাছের গোড়া থেকে ভালোভাবে আগাছা পরিষ্কার করে নিতে হবে। দেখবেন গাছের গোড়ায় যে সমস্ত কুঁড়ি রয়েছে সেগুলো ছাটাই করে দেবেন। গাছের গোড়ায় কিন্তু রোগের পরিমাণ বেশি হয় পাশাপাশি এই জায়গায় গাছ সবথেকে বেশি পুষ্টিরস শোষন করে থাকে।

সুতরাং এগুলো কাটিং না করলে কিন্তু আপনার গাছ ঠিকঠাক বৃদ্ধি পাবে না। খুব বেশি ছোট গাছে ফলন ধরলে কিন্তু অল্পেই গাছ মারা গিয়ে থাকে তাই আপনাকে ফুলসহই কাটিং করতে হবে। গাছের অগ্রভাগ অর্থাৎ মাথার অংশটা কিছুটা কেটে দেবেন। দেখবেন কাঁটা অংশের নিচের জায়গা থেকে তিন থেকে পাঁচদিনের মধ্যেই কিন্তু নতুন কুশি বের হয়ে যাবে।

নতুন শাখার বয়স আবার 10 থেকে 12 দিন হলে কিন্তু দ্বিতীয় বার আপনাকে ডালের অগ্রভাগ কাটতে হবে। এই কাটিং কে বলা হয়ে থাকে 2G কাটিং। এরপর আবারও একবার আপনাকে ঠিক একই রকম ভাবে অগ্রভাগ কেটে
3G কাটিং করতে হবে। খুব যত্ন সহকারে এই ছাটাই এর কাজটি করবেন যাতে গাছ ঠিকঠাক বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রত্যেকবারই গাছের কাটিং করার পরে ভালো কোন ছত্রাকনাশক এর মধ্যে স্প্রে করে দেবেন। ব্যাস তাহলেই দেখবেন গাছের রোগব্যাধির পরিমাণ কমে গিয়ে খুব সহজেই এটা আপনাকে বাম্পার ফলন দিচ্ছে। মনে রাখবেন গাছ যত ঝাকালো হবে ঠিক ততই কিন্তু এটি আপনাকে ফল দেবে।

Back to top button