কিনতে হবে না দোকানে! বাড়িতেই খুব সহজ এই ঘরোয়া পদ্ধতিতে বানিয়ে নিন একদম খাঁটি ঘি!

নিজস্ব প্রতিবেদন:- গরম ভাতের সাথে ঘি খেতে খুবই ভালো লাগে। পাশাপাশি কিন্তু বিভিন্ন রান্নাতেও ঘি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে আজকাল বাজারে যে ঘি কিনতে পাওয়া যায় তাতে খুব একটা ভালো স্বাদ থাকে না একথা আমরা স্পষ্ট বলতে পারি। সুতরাং আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেব সম্পূর্ণ গ্রাম্য পদ্ধতিতে গরুর দুধ থেকে কিভাবে খাঁটি গাওয়া ঘি তৈরি করা যেতে পারে। ঘি তৈরির পদ্ধতি অনেকেই জানেন তবে আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনটি ফলো করলে কিন্তু আপনার তৈরি করা ঘি হয়ে উঠবে অনেক বেশি সুস্বাদু আর সুন্দর। তাহলে আর দেরি কেন চলুন জেনে নেওয়া যাক খাঁটি গাওয়া ঘি তৈরির পদ্ধতি।

১) ঘি তৈরির জন্য প্রথমেই কিন্তু আমাদের প্রায় ২ লিটার পর্যন্ত দুধ নিয়ে নিতে হবে। আপনারা কতটা ঘি তৈরি করতে চান সেই অনুযায়ী এই পরিমাণ কম বেশি করে নিতে পারেন। এরপর একটি বড় হাড়ির মধ্যে আপনাদের ভালো করে বেশ কিছুক্ষণ দুধ জাল দিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ জাল দিয়ে নেওয়ার পরেই দেখবেন এর উপরে ধীরে ধীরে একটা সরের মোটা আস্তরণ সৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে। আর আপনাদের সংগ্রহ করে নিতে হবে নারকেল গাছের কয়েকটি পাতা। এবার এই পাতাগুলিকে আপনারা মাছ বরাবর সরু করে বটির সাহায্যে কেটে নিন।

২) দ্বিতীয় ধাপে আপনাদের এবার যে কাজটি করতে হবে তা হল দুধের উপরের অংশ থেকে ধীরে ধীরে হাত দিয়ে সর আলাদা করে অন্য একটি পাত্রে রাখতে হবে। মোটামুটি বেশ কয়েকদিন আপনাদের এভাবে দুধের সর তৈরি করে একটি আলাদা জায়গায় সংরক্ষণ করে রেখে দিতে হবে।

তারপর একটি পরিষ্কার বাটির মধ্যে দুধের সর আর নারকেলের কেটে নেওয়া পাতাগুলিকে দিয়ে কিছুক্ষণ হাত দিয়ে এটাকে ফেটিয়ে নিতে থাকুন। ধীরে ধীরে দেখবেন সরের অংশ আলাদা হয়ে দুধের জলীয় অংশ অর্থাৎ ঘোল বাইরে বেরিয়ে চলে আসছে। তারপরের ধাপে আপনাদের ঘি তৈরির প্রসেস শুরু করে দিতে হবে।

৩) গ্যাসে একটি পরিষ্কার পাত্র বসিয়ে তার মধ্যে তার মধ্যে আপনাদেরকে এই দুধের সর যুক্ত পাত্রটিকে মিডিয়াম টু লো ফ্লেমে বেশ কিছুক্ষণ সময় পর্যন্ত জাল দিয়ে নিতে হবে।

হালকা নাড়াচাড়া করতে পারেন। কিছুক্ষণ সময় থাকেই দেখবেন এর রং পরিবর্তিত হতে শুরু করেছে এবং ধীরে ধীরে ওই সর ঘিতে রূপান্তরিত হয়ে যাচ্ছে।

ব্যাস ভালোভাবে জাল দিয়ে আপনারা খুব সহজেই কিন্তু এভাবে বাড়িতে একেবারে খাঁটি ঘি তৈরি করে নিতে পারেন। এটা যেমন পুষ্টিকর ঠিক তেমনভাবেই কিন্তু খেতে হবে অত্যন্ত সুস্বাদু।

Back to top button