আপনার এলাকায় আপনিই হবেন প্রথম! অল্প পুঁজিতে শুরু করুন এই গোপন ব্যবসা, মাসে ইনকাম হবে লাখ টাকা পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদন : বর্তমান সময়ে মানুষের কাছে কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। সাইড বিজনেস ভেবে হোক বা পেশা উভয় হিসেবেই কিন্তু মানুষ ব্যবসাকে বেছে নিয়েছেন। ব্যবসা করার কিন্তু বিশেষ কিছু সুবিধা রয়েছে। সর্বপ্রথম স্বাধীনভাবে চলা যায় এবং নিজের ইচ্ছে কাজ করা যায়।

দ্বিতীয়ত অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যদি সঠিক পরিমাণে মূলধন এবং অন্যান্য সুবিধা থাকে তাহলে কিন্তু অর্থ উপার্জনের পরিমাণও ভবিষ্যতে অনেকটাই বেড়ে যায়। তবে ঠিক কোন ধরনের ব্যবসা করলে উপার্জন ভালো হবে এবং ভবিষ্যতে কোনরকম সমস্যা হবে না তা প্রথমে জেনে নেওয়া কিন্তু বিশেষভাবে প্রয়োজন। আমাদের আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা ব্যবসার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করতে চলেছি এবং একটি বিশেষ ব্যবসা সম্পর্কে আপনাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি।

বর্তমান সময়ের বিভিন্ন চাহিদার কথা মাথায় রেখে আপনাদের যে ব্যবসাটির কথা আজকে বলতে চলেছি তা হল ন্যাপকিন বা টিস্যু পেপার তৈরির ব্যবসা।ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর এবং বাড়িতে ন্যাপকিন পেপার ব্যবহার করা হয়, যা নোংরা হাত পরিষ্কার থেকে খাবারের দাগ পরিষ্কার সবেতেই প্রয়োজন হয়। এই কারণে হোটেল, রেস্তোরাঁ এমনকি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা খাবারের গাড়িতেও ব্যাপক ব্যবহার হয় টিস্যু পেপার এর। আর এত ব্যবহারের কারণে ধীরে ধীরে বাড়ছে এর চাহিদা। অতএব এই ব্যবসা শুরু করার কিছু দিনের মধ্যেই কিন্তু আপনি খুব সহজেই চেষ্টা করলে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারবেন।।

স্টার্টআপ বিজনেস হিসেবে টিস্যু তৈরির ব্যবসা কিন্তু একেবারেই অসাধারণ। খুব ভালো মান থেকে শুরু করে খুব সস্তা মানে টিস্যু আপনারা তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন।। সব রকম টিস্যু পেপারেরই কিন্তু বাজারে চাহিদা রয়েছে। তবে এই ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রথমেই আপনাদেরকে মেশিন কিনে নিতে হবে। মেশিন ছাড়া কিন্তু কোনোভাবেই ব্যবসা শুরু করা যাবে না। মেশিনের দাম পড়বে মোটামুটি চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা।

মেশিনের সাহায্যে আপনি ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি আকারের টিস্যু পেপার তৈরি করতে পারেন। প্রতি ঘন্টায় ১০০ থেকে ৫০০টি টিস্যু পেপার তৈরি করা সম্ভব। তবে শ্রমিক ছাড়াই রয়েছে পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় মেশিন। তবে এই মেশিনের দাম ১০ থেকে ১১ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ যদি আপনি অটোমেটিক মেশিন না কিনে থাকেন সেক্ষেত্রে কিন্তু শ্রমিকের জন্য আপনাকে আলাদা করে অর্থ ব্যয় করতে হবে। তাই বলাই যায় একটি বড়সড় মূলধন ছাড়া আপনি এই ব্যবসাটিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

ভারতীয় বাজারে ক্রমশই বাড়ছে টিস্যু পেপারের চাহিদা।এমতাবস্থায় ন্যাপকিন পেপার তৈরির ব্যবসা শুরু করলে সহজেই বছরে ১.৫০ লাখ কিলোগ্রাম টিস্যু পেপার উৎপাদন করা যায়। বর্তমানে বাজারে ১ কেজি টিস্যু পেপারের দাম ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, ভালো মানের কাগজ বিক্রি হয় ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়।

এমন পরিস্থিতিতে, আপনার টিস্যু পেপার তৈরির ব্যবসার বার্ষিক টার্নওভার সহজেই ছড়িয়ে যেতে পারে ১ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধুমাত্র টিস্যু বিক্রি করেই আপনি হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি। তবে এই ব্যবসা শুরু করার আগে সমস্ত দিক যাচাই করে নেওয়ার পরে মেশিন এবং শ্রমিকের দিকে ভালোভাবে ভেবে নেবেন। টিস্যু পেপার সংক্রান্ত ব্যবসার ক্ষেত্রে কিন্তু মেশিন এবং শ্রমিক সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Back to top button